আমি আর সে—আমরা ছিলাম অবিচ্ছেদ্য। প্রতিদিনের কথা, ছোটখাটো ঝগড়া, আবার মিল—সব মিলিয়ে বন্ধুত্বটা ছিল ভরসার জায়গা। কিন্তু তার জীবনে যখন একজন ছেলে এলো, ধীরে ধীরে আমি পাশে থেকেও দূরে সরে গেলাম। শুরুতে বুঝিনি। মেসেজের উত্তর দেরি, দেখা কমে যাওয়া—সবই তখন “ব্যস্ততা” মনে হয়েছিল।
একসময় সত্যিটা পরিষ্কার হলো। প্রতিটি সিদ্ধান্তে তার প্রাধান্য, আমার কথা উপেক্ষা, আর আমার অনুভূতিগুলোকে ‘অতিরিক্ত’ বলে উড়িয়ে দেওয়া। আমি চেষ্টা করেছি কথা বলতে, বোঝাতে—কিন্তু সে শুনতে রাজি ছিল না। বন্ধুত্বটা যেন নিঃশব্দে ভেঙে গেল।
ওই সময়টা আমার জন্য কঠিন ছিল। একাকিত্ব আর হতাশার ভেতর নিজের মতো করে মন সামলাতে শিখেছি—কাজে মন দিয়েছি, নতুন অভ্যাস গড়েছি। কখনো কখনো একটু হালকা বিনোদনও নিয়েছি; অনলাইনে ঢুকে কিছুক্ষণ মন সরাতে বাবু88 লগইন-এর মতো পরিচিত জায়গায় যেতাম, শুধু মাথাটা ঠান্ডা করার জন্য।
আজ বুঝি, বন্ধুত্ব হারানো মানেই সব শেষ নয়। মানুষ বদলায়, পথ আলাদা হয়। আমি নিজেকে হারাইনি—এইটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া।
เข้าสู่ระบบเพื่อแสดงความคิดเห็น
Log in